অভিষেক টেস্টে জ্বলে উঠলো আকাশের প্রদীপ, বুমরাহ মন্ত্র কাজ করেছে

দিনশেষে অতিথি দল ৭ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে। যার কৃতিত্ব অনেকটাই আকাশদ্বীপের কাছে যায়।

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেক ম্যাচেই আকাশদ্বীপ আগুনঝরা বোলিং এর মাধ্যমে শিরোনামে রয়েছেন। তবে তারকা তরুণ বলার তার এই সাফল্যের কৃতিত্ব জাসপ্রিত বুমরাহকে উৎসর্গ করেছেন। ম্যাচ শুরুতে বুমরাহ পরামর্শ দিয়েছিলেন, কিভাবে পূর্বের ম্যাচগুলিতে ইংল্যান্ডকে সমস্যায় ফেলেছিলেন তিনি। তার গুরু মন্ত্রই নাকি কাজ করেছে এই ম্যাচে। তবে দিনশেষে অতিথি দল ৭ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে। যার কৃতিত্ব অনেকটাই আকাশদ্বীপের কাছে যায়।

আকাশদ্বীপ সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, “আমি আমার ডেবিউ টেস্ট নিয়ে তেমন বেশি নার্ভাসি ছিলাম না। খেলার আগে আমি আমার কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। তাই আমি এই ম্যাচে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। খেলার আগে এবং ম্যাচের সময় তেমন চাপ অনুভব করিনি। কারন, আমি আমার প্রত্যেকটি ম্যাচ জীবনের শেষ ম্যাচ মনে করে খেলা করি।”

আকাশদ্বীপ আরো জানিয়েছেন, “খেলার পূর্বে আমার বুমরাহ ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি আমাকে তার পূর্ব ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে পরামর্শ দিয়েছিলেন। সাথে সাথে আমার লেন্থ কিছুটা পিছনে রাখা উচিত তা বলে দিয়েছিলেন। তবে হ্যাঁ নো বলে একটি উইকেট নষ্ট হলেও দলের আমার উপর কষ্ট পাওয়া উচিত নয়। কারণ ক্র্যাউলি প্রথম থেকেই খুব ভালো ব্যাটিং করছিল। প্রথমের দিকে পিচ ঠিকঠাক থাকলেও, পরবর্তীতে পিচ ধীর হয়ে যায়। তবে যেমনই পরিস্থিতি আসুক না কেন, আমি সর্বদাই সঠিক লাইন লেন্থ বজায় রেখে বল করার চেষ্টা চালিয়ে যাব।”

চতুর্থ ম্যাচের প্রথম দিনের শেষে

টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় টিম ইংল্যান্ড। তবে দল প্রথম 57 রানের মধ্যেই তিন উইকেট হারিয়ে বসে। প্রথম তিনটি উইকেটই ডেবিউ প্লেয়ার আকাশদ্বীপের নামে। তিনি তার বোলিং স্পেলে ডাকেট, ক্র্যাউলি এবং অলি পোপকে একে একে ধরাসায়ী করে। দিনশেষে ১৭ ওভার বল করে ৭০ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। ডেবিউ দিনে এমন পারফরম্যান্স সত্যিই অকল্পনীয়। তাই আকাশদ্বীপের প্রশংসা যতই করা হবে, ততই কম মনে হচ্ছে।