ফিরতে গিয়েও ফেরা হলো না ঘরে, দুঃখের সাথে বার্সেলোনায় না ফেরার কারণ জানালেন মেসি

লিওলেন মেসি (Lionel Messi) এবং বার্সেলোনার (Barcelona) সম্পর্ক এক অসমাপ্ত আখ্যান হিসাবেই থেকে গেল কিন্তু চাইলেই তো অন্যরকম কিছু হতে পারতো। ইতিহাসের পাতা উল্টে দেখলে দেখা যায় ১৩ বছর বয়সী ছেলেটার গ্ৰোথ হরমোন বিষয়ক শারীরিক সমস্যার কারণে এক সময় ফুটবল জীবনের অনিশ্চয়তা সবকিছুই শেষ করে দিচ্ছিলো। কোন ক্লাবই দলে না নিলেও পাশে দাঁড়ায় বার্সেলোনা। তারপর এক স্বপ্নের দৌড়, বিশ্ব মঞ্চের ডানা মেলার পিছনে মেসি কোনদিন অস্বীকার করেননি এই ক্লাবের অবদান।

তাই ২০২১ সালে বার্সেলোনা ছেড়ে আসার পরেই মেসি বারবারই ফিরতে চেয়েছিলেন। সম্প্রতি পিএসজি ছাড়ার পরে জল্পনা আরও তৈরি হয়। মেসির বাবা বার্সেলোনা কর্মকর্তাদের সাথে একাধিক বৈঠক পর্যন্ত করেন। ফুটবল ভক্তরা আবারও বার্সার জার্সিতে ফুটবলের আইকনকে ফিরে পেতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্ট করেন। তবে সমস্ত আলোচনার সমাপ্তি ঘটিয়ে মেসি যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মিয়ামিতে (Inter Miami) যোগ দিলেন।

এক সাক্ষাৎকারে সংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এবার বার্সেলোনায় না ফেরার বিষয়ে মুখ খুললেন মেসি। তিনি বলেন, ” আমি সত্যিই বার্সেলোনায় ফিরে আসতে চেয়েছিলাম। ফিরে আসার জন্য খুব উৎসাহিত ছিলাম। কিন্তু বার্সেলোনা ছাড়ার সময় আমার যা অভিজ্ঞতা হয়েছিল আমি সেইরকম পরিস্থিতিতে আবার পড়তে চাইনি। আমি আমার ভবিষ্যৎ অন্য কারোর ওপর ছেড়ে দিতে চাই না।”

তিনি আরও বলেন, “আমি শুনেছিলাম বলা হয়েছিলো লা লিগা সবকিছু মেনে নিয়েছে এবং ফিরে আসার বিষয়টি ঠিকঠাক আছে। কিন্তু আরও কিছু বিষয় ছিল যেগুলো হয়নি। আমার কাছে খবর আছে বার্সেলোনা খেলোয়াড় বিক্রি করেছে এবং খেলোয়ারদের কম বেতন দিতে হয়েছে। এরকম পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আর যেতে চাই না। আমি আমার নিজের সিদ্ধান্ত নিতে নিয়েছি এবং সেই কারণেই বার্সায় ফিরে যাইনি। যদিও ফিরে যেতে পারলে ভালো লাগতো।”

মেসি শেষে বলেন, ” প্রেসিডেন্ট লাপোর্তার সঙ্গে আমার খুব কম কথা হয়েছে। কিন্তু জাভির সঙ্গে আমার ফিরে আসার বিষয়টি আলোচনা হয়েছিলো। আমরা দুজনেই উৎসাহিত ছিলাম। অনেক কিছু বলা হয়েছে, অনেক কথা বাইরে এসেছে, অনেক মিথ্যে কথা বলা হয়েছে কিন্তু এই সমস্ত কিছুর বাইরে দাঁড়িয়েও আমি বিষয়গুলো অস্বীকার করতে পারি না।”