Logan Van Beek Lifestory: দাদু খেলেছিলেন ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডের হয়ে, নিজেও নিউজিল্যান্ড বংশোদ্ভুত

ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের জন্য কোয়ালিফায়ার (ICC Odi World Cup Qualifiers) রাউন্ডে বর্তমানে লড়ছে দলগুলি। এরই মধ্যে সোমবার এক অবিশ্বাস্য ম্যাচের সাক্ষী থাকে ক্রিকেটপ্রেমীরা। এই ম্যাচের পর থেকেই ক্রিকেট বিশ্বে সবচেয়ে চর্চিত নাম হলো লোগান ভ্যান বিক (Logan Van Beek)। তিনি ১৪ বলে ২৮ ইনিংস খেলে প্রথমে দলকে ম্যাচ টাই করতে সাহায্য করেন। তারপর সুপার ওভারে ব্যাট করতে নেমে ছয় বলে ছয়টি বাউন্ডারি মেরে ৩০ রান করেন। পরে সুপার ওভারে নিজেই বল করতে আসেন এবং দুটি উইকেট নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

এর আগে ব্যাটিংয়ে কোনদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আহামরি পারফরমেন্স করেননি লোগান। একজন বোলার হিসেবেই এতদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতেন তিনি। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে নিজের ব্যাটিংয়ের দক্ষতাও প্রকাশ করেন তিনি। ৩২ বছর বয়সী এই প্লেয়ার ২০১৪ সালে নেদারল্যান্ডের হয়ে অভিষেক করলেও এখনো পর্যন্ত দুই ফরম্যাট মিলিয়ে মাত্র ৪৩ টি ম্যাচ খেলেছেন।

লোগানের জন্ম নিউজিল্যান্ডে। নিউজিল্যান্ডের সাথে নেদারল্যান্ড ক্রিকেটের অনেক পুরনো সম্পর্ক। অনেক প্লেয়ারই নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলতে খেলতে নেদারল্যান্ডে খেলেছেন, আবার অনেক নেদারল্যান্ডের প্লেয়ার নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন। লোগান ভ্যান বিকও তাদের মধ্যে একজন।

২০১০ সালে তিনি নিউজিল্যান্ডের হয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ খেলেছিলেন। তার সাথে নিউজিল্যান্ডের হয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বাস্কেটবলের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শিপও খেলেছিলেন তিনি। এরপর ২০১১ সালের তিনি নেদারল্যান্ডে চলে আসেন এবং সেখানকার হয়ে ক্রিকেট খেলতে থাকেন। ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার পর ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক করার সুযোগ পান তিনি। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও খেলেছিলেন লোগান।

অবাক করা ব্যাপার হলো লোগানের দাদু স্যামি গুইলেন (Sammy Guilen) জন্মেছিলেন ত্রিনিদাদে। তিনি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে পাঁচটি টেস্ট এবং পরে নিউজিল্যান্ডের হয় তিনটি টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলেন।