১০ বছরের জেল! গোপন তথ্য ফাঁস করার অপরাধে বড় শাস্তি পেলেন এই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক

পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে (Imran Khan) নিয়ে অনেকদিন ধরেই চলছে নানা গোলযোগ। বহুদিন ধরে তাকে নিয়ে চলছে একাধিক অভিযোগ। অনেকদিন ধরেই ঠিক করে খোঁজ নেই তার। কিছুদিন আগেই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তো কিছুদিন পরেই তার কারাদন্ড, এইরকমই খবর বছরখানেক ধরে শুনে আসছে সাধারণ মানুষজন।

আজ আবার তাকে নিয়ে উঠে এল বড় খবর। এবার দেশের গোপন তথ্য ফাঁস করার জন্য ১০ বছরের জন্য কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে ইমরান খানকে। দেশের এক কূটনৈতিক তথ্য তথা সাইফার ফাঁস করার অভিযোগ ছিল সেটি। ইমরানের সাথে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী তথা পাকিস্তানের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিকেও (Shah Mahmood Qureshi) ১০ বছরের কারাদণ্ড শুনিয়েছে সে দেশের আদালত। আজ তথা মঙ্গলবার পাকিস্তানের এক বিশেষ অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট আদালত এই রায় জানিয়েছে।

আজ রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে তাদের মামলার শুনানি হয়। অন্যদিকে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট থেকে তাদের দুইজনের বিচার বাতিল বলে জানিয়েছিল। তারপরেই সিক্রেটস অ্যাক্ট আদালত এর বিচার করে এবং তাদেরকে দোষী সাব্যস্ত করে। আজ জানা গেছে, ইমরান খানের বিরুদ্ধে ১৫০ এর বেশি মামলা রয়েছে। ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট সাইফার মামলায় ইমরানকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল পাক আদালত।

ইমরানকে সেইসময় ৩ বছরের কারাদন্ডও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ইসলামাবাদ হাইকোর্টের রায়ে ইমরান সেই সাজা থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। কিন্তু আজ ফের শুনানি হওয়ায় ১০ বছরের জন্য হাজতবাসের রায় দেওয়া হয় প্রাক্তন পাকিস্তানি ক্রিকেটার তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। সমস্ত কিছু ফাঁস হওয়ার পরেও ইমরান এবং শাহ মাহমুদ কুরেশি দুজনেই নিজেদের নির্দোষ বলে দাবি করেছিলেন। তাদের অভিযোগ, সাইফার মামলার পিছনে কিছু প্রভাবশালী লোকজন রয়েছে, তারাই চক্রান্ত করে ফাঁসিয়েছে।