আগামী তিন বছরে রঞ্জি ট্রফি জিততে পারলেই প্রত্যেক প্লেয়ারকে BMW, সাথে‌ দেওয়া‌ হবে‌ টাকা,‌ এমনটাই‌ প্রতিশ্রুতি এই রাজ্যের

এই বছর রঞ্জি ট্রফির প্লেট গ্রুপের ফাইনালে হায়দ্রাবাদ এবং মেঘালয় মুখোমুখি হয়।

বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট জনপ্রিয়তা লাভ করলেও ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে এখনও টেস্টকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। তাই বিসিসিআই (BCCI) রঞ্জি ট্রফির (Ranji Trophy) মতো ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্টকে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য ক্রিকেটারদের উদ্বুদ্ধ করে চলেছে। অন্যদিকে এই রঞ্জি ট্রফিতে পরবর্তী মরসুমের জন্য হায়দ্রাবাদ এলিট গ্রুপে ফেরার পর রাজ্যের ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের বড়ো ঘোষণা করা হলো।

এই বছর রঞ্জি ট্রফির প্লেট গ্রুপের ফাইনালে হায়দ্রাবাদ এবং মেঘালয় (Hyderabad vs Meghalaya Match) মুখোমুখি হয়। এই ম্যাচে হায়দ্রাবাদ তিলক বর্মার (Tilak Varma) নেতৃত্বে অসাধারণ পারফরমেন্স করেন। এই তরুণ ব্যাটসম্যান দ্বিতীয় ইনিংসে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় ৫০ বলে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন। যার ফলে হায়দ্রাবাদ ম্যাচটি ৫ উইকেটে জয় করে নেয়। এর ফলে দলটি পরের রঞ্জি ট্রফির মরসুমের জন্য এলিট গ্রুপে ফিরেছে। এরপরেই হায়দ্রাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (HCA) ক্রিকেটারদের আরো উৎসাহ বাড়ানোর জন্য বিশাল পরিমাণ অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা করলো।

এই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন প্লেট গ্রুপ চ্যাম্পিয়নদের জন্য ১০ লাখ টাকা এবং অসাধারণ পারফরম্যান্স করা ক্রিকেটারদের জন্য ৫০,০০০ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে। কিন্তু সবচেয়ে বড়ো বিষয় হল এর‌ সঙ্গেই হায়দ্রাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান জগন মোহন রাও আরসিহ্নপল্লী (Jagan Mohan Rao Arsihnapally) ঘোষণা করেন যে আগামী ৩ বছরের মধ্যে হায়দ্রাবাদ যদি এলিট গ্রুপে রঞ্জি ট্রফির চ্যাম্পিয়ন হয় তাহলে প্রতিটি ক্রিকেটারকে একটি করে বিএমডব্লিউ গাড়ি এবং দলকে ১ কোটি টাকা দেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “ঘোষণাটি ক্রিকেটার এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের অনুপ্রাণিত করার জন্য ছিল। পরের বছর এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা বাস্তবসম্মতভাবে সম্ভব নয় তাই আমি তাদের ৩ টি মরসুম দিলাম।” উল্লেখ্য হায়দ্রাবাদ ১৯৩৭-৩৮ এবং ১৯৮৬-৮৭ মরসুমে দুবার রঞ্জি ট্রফিতে চাম্পিয়ন হয়েছিল। অন্যদিকে এই বছর রঞ্জি ট্রফির এলিট গ্রুপে মুম্বাই, বিদর্ভ, মধ্যপ্রদেশের মতো দল ভালো পারফরমেন্স করছে। এই বছর টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচটি ১০ মার্চ থেকে শুরু হবে।