আফগানিস্তানের পর এবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান দলের কোচিং এর দায়িত্ব নিতেও প্রস্তুত অজয় জাদেজা

নভজ্যোত সিং সিধু, ভেঙ্কটেশ প্রসাদ এবং অনিল কুম্বলের যৌথ প্রচেষ্টায় ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপের দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে স্মরণীয় জয় পায় ভারত। আমির সোহেলের সঙ্গে ভেঙ্কটেশ প্রসাদের তীব্র লড়াই দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে ওঠে। একই হাইভোল্টেজ ম্যাচে ২৫ বলে ৪৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলা অজয় জাদেজা (Ajay Jadeja) এক প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের কোচ হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক অজয় জাদেজাকে ‘স্পোর্টস টাক’-এ পাকিস্তানে কোচের ভূমিকা পালনের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। পাকিস্তান দলের (Pakistan Cricket Team) সঙ্গে আফগানিস্তানের তুলনা করার আগে জাদেজা মজা করে বলেছিলেন, ”আমি প্রস্তুত। আমি আফগানদের সাথে আমার শিক্ষা ভাগ করে নিয়েছি এবং আমি বিশ্বাস করি যে পাকিস্তান একসময় আফগানিস্তানের মতো একটি দল ছিল।” এই কথোপকথনের সময় অজয় জাদেজা নির্ভীকভাবে কথা বলেন। ভারতীয় দলে চার-চারজন অধিনায়কের যৌক্তিকতাও বোধগম্য নয়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের পর ইশান কিষাণকে বিশ্রাম দেওয়ার প্রয়োজনীয়তারও বিরোধিতা করেন তিনি।

১৯৯৯ সালের শেষের দিকে এবং ২০০০ সালের গোড়ার দিকে অজয় জাদেজার নাম ম্যাচ ফিক্সিং মামলায় মহম্মদ আজহারউদ্দিনের সাথে জড়িত ছিল। বিসিসিআই তাদের দুজনকেই নিষিদ্ধ করেছিল। এর পর আর কখনও ভারতীয় দলে ফিরতে পারেননি এই প্রাক্তন অধিনায়করা। অবসরের পর অজয় জাদেজাকে দীর্ঘদিন টিভিতে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ হিসেবে দেখা যেত। পরে তাকে ধারাভাষ্য দিতেও দেখা গেলেও সম্প্রতি শেষ হওয়া ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে কোচের ভূমিকায় ছিলেন অজয় জাদেজা।

প্রকৃতপক্ষে, অজয় জাদেজা আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের মেন্টর এবং থিঙ্ক ট্যাঙ্কের অংশ ছিলেন। জাদেজার অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হয়েছে আফগানিস্তানও। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে প্রথম জয় পায় দলটি। আফগানিস্তান তাদের নয় ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জিতেছে। পাকিস্তান দল বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া সফরে রয়েছে, যেখানে বাবর আজমের (Babar Azam) পদত্যাগের পর নতুন টেস্ট অধিনায়ক শান মাসুদকেও (Shan Masood) পরীক্ষা করা হবে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শাহিন শাহ আফ্রিদির (Shaheen Shah Afridi) হাতে।